ডিএনসিসির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, পশুর হাটের বর্জ্য অপসারণ কাজ চলমান
সোমবার(১ জুন) কোরবানির পশুর হাটের বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শেষে রাজধানীর তেজগাঁও পলিটেকনিক খেলার মাঠ ও তৎসংলগ্ন সড়ক ডিভাইডারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান।
এ সময় তিনি বলেন, কোরবানির পশুর হাটকে কেন্দ্র করে উত্তরার মেট্রোরেল এলাকার গাছপালা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও নতুন করে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে আগের চেয়ে আরও সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে।
প্রশাসক বলেন, সরকার ও ডিএনসিসিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে মেট্রোরেল এলাকার পরিবেশ নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করে প্রকৃত অবস্থা জনগণের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, কোরবানি-পরবর্তী সময়ে নগরবাসীর মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভালো কাজের চর্চা উৎসাহিত করতেই এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রীন ঢাকা’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তেজগাঁও পলিটেকনিক মাঠে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে ডিএনসিসির শিল্পাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
বৃক্ষরোপণ উদ্যোগে সহযোগিতার জন্য তেজগাঁও পলিটেকনিক পশুর হাটের ইজারাদার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশাসক বলেন, নগরকে আরও সবুজ ও বাসযোগ্য করতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ঈদ-পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা শেষে ডিএনসিসির আওতাধীন ইজারাকৃত পশুর হাটগুলোর বর্জ্য ও বাঁশের ফ্রেম অপসারণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিভিন্ন হাট পরিদর্শন করে তিনি দেখেছেন, অনেক হাটের বর্জ্য ও অবকাঠামো ইতোমধ্যে অপসারণ করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট স্থানে কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো ইজারাদার যদি বর্জ্য অপসারণ বা হাটের অবকাঠামো সরানোর কাজে গাফিলতি করেন, তাহলে তাদের জামানত থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে সহযোগিতা এবং নগর উন্নয়ন ও পরিকল্পনা বিষয়ে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানান ডিএনসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, নগরবাসী ও সাংবাদিকদের সহযোগিতায় কোরবানির পর রাজধানীর অলিগলি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিদিনের গৃহস্থালির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমও নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা চলমান থাকবে।


