শিরোনাম

South east bank ad

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে দ্রুত বিধিমালা প্রণয়নের দাবি

 প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন   |   মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে দ্রুত বিধিমালা প্রণয়নের দাবি

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতি সংশোধিত ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০২৬) অনুযায়ী দ্রুত বিধিমালা প্রণয়ন এবং ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচের মতো ক্ষতিকর নিকোটিনজাত পণ্যের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

আজ রাজধানীর অবসর ভবনে ‘তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ দাবি জানানো হয়। সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতি ও ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুওর (ডর্প)।

সভায় সমিতির প্রশাসক মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও কার্যকর তামাক নিয়ন্ত্রণ বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যের ক্ষতি থেকে রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

সচিব (অব.) মো. শামসুল আলম খান বলেন, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে নিকোটিন পাউচ, নিকোটিন গ্র্যানুলস ও হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্টসের (এইচটিপি) ওপর কর আরোপের ফলে এসব পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাই নতুন নিকোটিনজাত পণ্যের বিস্তার রোধে সময়োপযোগী নীতিগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সমিতির পরিচালক মোহাম্মদ আলী বলেন, বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ (৩৫.৩ শতাংশ)। তামাকজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় দুই লাখ মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। ২০২৪ সালে তামাকজনিত স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা এ খাত থেকে অর্জিত রাজস্বের দ্বিগুণেরও বেশি।

সভায় বক্তারা সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং দ্রুত বিধিমালা প্রণয়ন ও কঠোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি এ লক্ষ্য অর্জনে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সর্বাত্মক সহযোগিতার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।





BBS cable ad

মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর এর আরও খবর: