ভুয়া ডিজিএফআই পরিচয়ে চাঁদা দাবি, গ্রেপ্তার ৩
রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানা এলাকায় ভুয়া ডিজিএফআই সদস্য পরিচয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশ।
শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এতথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. রাসেল মাহবুব ওরফে মাছুম (৪২), সোহেল মির্জা (৪১) ও মো. সজিব (৩৬)।
উত্তরা পূর্ব থানার বরাত দিয়ে আকতার হোসেন জানান, শুক্রবার (২ অক্টোবর) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে উত্তরা পূর্ব থানার একটি টহল দল রাজধানীর উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর রোডের একটি বাড়ির দশম তলার ফ্ল্যাটে যায়।
সেখানে কয়েকজন ব্যক্তি ফ্ল্যাটের মালিক কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদীকে ডিজিএফআই সদস্য পরিচয় দিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে বলে ভয়ভীতি দেখায়।
তিনি আরও জানান, একপর্যায়ে মামলা নিষ্পত্তি করে দেওয়ার কথা বলে ওই ব্যক্তির কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
ভয়ে ফ্ল্যাটের মালিক তাদের ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা দেন। পরে তাদের কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক মনে হলে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহায়তা চান।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে একজনের কাছে ডিজিএফআইয়ের পরিচয়পত্র পায়। পরিচয়পত্রটি দেখে সন্দেহ হওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অভিযুক্তরা ভুয়া ডিজিএফআই সদস্য পরিচয়ে চাঁদাবাজির কথা স্বীকার করেন বলে জানায় পুলিশ।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডিজিএফআইয়ের একটি ভুয়া পরিচয়পত্র, একটি সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল, নগদ ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা, একটি ওয়াকিটকি ও এক জোড়া হ্যান্ডকাফ জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় উত্তরা পূর্ব থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানোর আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান ডিএমপির এ কর্মকর্তা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এতথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. রাসেল মাহবুব ওরফে মাছুম (৪২), সোহেল মির্জা (৪১) ও মো. সজিব (৩৬)।
উত্তরা পূর্ব থানার বরাত দিয়ে আকতার হোসেন জানান, শুক্রবার (২ অক্টোবর) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে উত্তরা পূর্ব থানার একটি টহল দল রাজধানীর উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর রোডের একটি বাড়ির দশম তলার ফ্ল্যাটে যায়।
সেখানে কয়েকজন ব্যক্তি ফ্ল্যাটের মালিক কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদীকে ডিজিএফআই সদস্য পরিচয় দিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে বলে ভয়ভীতি দেখায়।
তিনি আরও জানান, একপর্যায়ে মামলা নিষ্পত্তি করে দেওয়ার কথা বলে ওই ব্যক্তির কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
ভয়ে ফ্ল্যাটের মালিক তাদের ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা দেন। পরে তাদের কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক মনে হলে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহায়তা চান।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে একজনের কাছে ডিজিএফআইয়ের পরিচয়পত্র পায়। পরিচয়পত্রটি দেখে সন্দেহ হওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অভিযুক্তরা ভুয়া ডিজিএফআই সদস্য পরিচয়ে চাঁদাবাজির কথা স্বীকার করেন বলে জানায় পুলিশ।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডিজিএফআইয়ের একটি ভুয়া পরিচয়পত্র, একটি সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল, নগদ ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা, একটি ওয়াকিটকি ও এক জোড়া হ্যান্ডকাফ জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় উত্তরা পূর্ব থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানোর আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান ডিএমপির এ কর্মকর্তা।


