সিরাজগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধর, গ্রেপ্তার ২
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে মামুনুর রশিদ নামের এক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) মারধরের ঘটনায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে সন্ধ্যায় ষোলমাইল এলাকায় আসামি ধরতে গেলে এএসআই মামুনুর রশিদ মারধরের শিকার হন।
গ্রেপ্তাররা হলেন, উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের ক্ষুন্দ্র দৌলতপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মনিরুল ইসলাম (২৮) ও কোদলাদিগি (গোদাইপুর) গ্রামের মঈন উদ্দিনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪০)।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আহসানুজ্জামান বলেন, এএসআই মামুনুর রশিদ সাদা পোশাকে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ষোলমাইল এলাকায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি ধরতে গিয়েছিলেন। ওই সময় তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে তাকে পেছন থেকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা পুলিশের অন্য সদস্যরা তাকে উদ্ধারের পর রায়গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তার মাথায় চারটি সেলাই দিতে হয়েছে।
ওসি আরো বলেন, এ ঘটনায় এএসআই দেওয়ান মো. আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় চার জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এরপর রাতেই অভিযান চালিয়ে মনিরুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।
গ্রেপ্তাররা হলেন, উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের ক্ষুন্দ্র দৌলতপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মনিরুল ইসলাম (২৮) ও কোদলাদিগি (গোদাইপুর) গ্রামের মঈন উদ্দিনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪০)।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আহসানুজ্জামান বলেন, এএসআই মামুনুর রশিদ সাদা পোশাকে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ষোলমাইল এলাকায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি ধরতে গিয়েছিলেন। ওই সময় তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে তাকে পেছন থেকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা পুলিশের অন্য সদস্যরা তাকে উদ্ধারের পর রায়গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তার মাথায় চারটি সেলাই দিতে হয়েছে।
ওসি আরো বলেন, এ ঘটনায় এএসআই দেওয়ান মো. আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় চার জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এরপর রাতেই অভিযান চালিয়ে মনিরুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।


