১৩ জুন জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা (এনএইচএসপিসি) ২০২৬-এর চূড়ান্ত পর্ব আগামী ১৩ জুন রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁঞা বলেন, জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। ২০১৫ সালে শুরু হওয়া এ আয়োজন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও প্রোগ্রামিং, সমস্যা সমাধান ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, প্রোগ্রামিং শুধু কোড লেখা নয়; এটি যৌক্তিক চিন্তা, বিশ্লেষণী দক্ষতা ও সৃজনশীলতা বিকাশের একটি কার্যকর মাধ্যম। প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে আজকের শিক্ষার্থীদের চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের আয়োজনে এবারের প্রতিযোগিতায় কুইজ ও প্রোগ্রামিং মিলিয়ে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে মোট ১৭ হাজার ৮৩৯ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছে। আঞ্চলিক পর্ব শেষে প্রোগ্রামিং ও কুইজ বিভাগে মোট ৮৩২ জন প্রতিযোগী জাতীয় চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।
চূড়ান্ত পর্বের প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা বাংলাদেশ-কোরিয়া ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (বিকেআইআইসিটি), বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হবে। কুইজ প্রতিযোগিতা, সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হবে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এ.টি.এম. জিয়াউল ইসলাম, পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) মো. জফরুল আলম খান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন, যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, উদ্ভাবনী চিন্তা ও সমস্যা সমাধান সক্ষমতা উন্নয়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।


