শিরোনাম

South east bank ad

ইউএনওর সহযোগিতায় ঠাঁই হলো জয়নব ভানুর

 প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন   |   দেশ

ইউএনওর সহযোগিতায় ঠাঁই হলো জয়নব ভানুর
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ৮৫ বছর বয়সী জয়নব ভানু ছয় ছেলের কারও বাড়িতে আশ্রয় না পাওয়ার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর তার পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা খাতুন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে তিনি জয়নব ভানুর বাড়িতে ছুটে যান।
পরে পারিবারিক সমঝোতার মাধ্যমে সৌদি আরবপ্রবাসী সেজো ছেলে আনোয়ার হোসেনের বাসায় ঠাঁই হয় তার। এ সময় মেয়ে ঝর্ণা বেগমের বাড়িতে আশ্রয়ে থাকা জয়নব ভানুকে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে আলোচনার পর পারিবারিক সমঝোতার ভিত্তিতে তাকে সেজো ছেলে আনোয়ার হোসেনের বাসায় তুলে দেওয়া হয়।

এর আগে ১৮ অক্টোবর কুমিল্লায় চিকিৎসা শেষে বাড়িতে ফিরে ছেলেদের ভবনের সামনে অপেক্ষা করেন জয়নব ভানু।
ছেলেদের কারও ঘরে আশ্রয় না পেয়ে মেয়ে ঝর্ণা বেগম তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান।

শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা খাতুন জানান, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।
জয়নব ভানুর ছয় ছেলের প্রত্যেকের পাকা ভবন থাকলেও কারও বাসায় মায়ের জন্য একটি কক্ষের ব্যবস্থা নেই।

তিনি বলেন, জয়নব ভানুকে তার সেজো ছেলের বাসায় তুলে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তারা নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখবেন। দুই মাস পর তিনি আবার ওই বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেবেন। এ ছাড়া স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদেরও বিষয়টি নজরদারিতে রাখতে বলা হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জয়নব ভানুর ১০ সন্তান, ছয় ছেলে ও চার মেয়ে। সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ছয় ছেলের কেউই ৮৫ বছর বয়সী মাকে নিজেদের বাড়িতে আশ্রয় দিতে রাজি হননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

জয়নব ভানু উপজেলার চিতোষী পূর্ব ইউনিয়নের কাদরা পূর্বপাড়ার সৈয়দ আহম্মেদের বাড়ির বাসিন্দা। তার স্বামী সৈয়দ আহম্মেদ ১৯৯৮ সালে মারা যান। এরপর ছয় সন্তানকে বড় করা এবং সংসারের দায়িত্ব সামলানোর মধ্য দিয়ে কেটেছে তার জীবনের দীর্ঘ সময়। কিন্তু বার্ধক্যে এসে নিজের থাকার জায়গা নিয়েই তাকে অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে হয়েছে।
BBS cable ad