নিজ সন্তানকে অপহরণের পর স্ত্রীর কাছে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার ২
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় নিজের শিশু সন্তানকে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ উঠেছে এক বাবার বিরুদ্ধে। পরে অভিযান চালিয়ে অপহৃত শিশু সিয়ামকে (৮) অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার ও শিশুটির বাবা এবং তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। গ্রেপ্তাররা হলেন—শিশুর বাবা মো. আজিজুল (২৮) ও তার সহযোগী মো. আক্তার (২৬)।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে অভিযুক্ত আজিজুল তার এক সহযোগীকে নিয়ে তারই সন্তান সিয়ামকে অপহরণ করেন। পরে তাকে একটি নির্জন বাগানে নিয়ে গিয়ে বেঁধে গলায় ধারালো হাসুয়া ধরে তার ছবি ধারণ করেন। পরবর্তী সময় সেই ছবি পাঠিয়ে তার স্ত্রী ও সিয়ামের মায়ের কাছ ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। দাবি করা টাকা না দেওয়া হলে শিশুটিকে হত্যা করে মরদেহ গুমের হুমকি দেওয়া হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে মাঠে নামে জীবননগর থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের টিম।
পুলিশ আরো জানায়, অভিযানের একপর্যায়ে রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে জীবননগর থানাধীন পাকা দাসপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশু সিয়ামকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার ও মো. আজিজুল এবং তার সহযোগী মো. আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভুক্তভোগী শিশুর জীবন রক্ষার্থে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের কাছে ১০ হাজার ৩০০ টাকা পাঠানো হয়েছিল। অভিযানকালে সেই টাকার মধ্যে ৭ হাজার টাকা, একটি ধারালো হাসুয়া ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। গ্রেপ্তাররা হলেন—শিশুর বাবা মো. আজিজুল (২৮) ও তার সহযোগী মো. আক্তার (২৬)।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে অভিযুক্ত আজিজুল তার এক সহযোগীকে নিয়ে তারই সন্তান সিয়ামকে অপহরণ করেন। পরে তাকে একটি নির্জন বাগানে নিয়ে গিয়ে বেঁধে গলায় ধারালো হাসুয়া ধরে তার ছবি ধারণ করেন। পরবর্তী সময় সেই ছবি পাঠিয়ে তার স্ত্রী ও সিয়ামের মায়ের কাছ ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। দাবি করা টাকা না দেওয়া হলে শিশুটিকে হত্যা করে মরদেহ গুমের হুমকি দেওয়া হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে মাঠে নামে জীবননগর থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের টিম।
পুলিশ আরো জানায়, অভিযানের একপর্যায়ে রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে জীবননগর থানাধীন পাকা দাসপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশু সিয়ামকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার ও মো. আজিজুল এবং তার সহযোগী মো. আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভুক্তভোগী শিশুর জীবন রক্ষার্থে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের কাছে ১০ হাজার ৩০০ টাকা পাঠানো হয়েছিল। অভিযানকালে সেই টাকার মধ্যে ৭ হাজার টাকা, একটি ধারালো হাসুয়া ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।


