আনিসুর হত্যা মামলার আরো ২ আসামি গ্রেপ্তার
চাঁপাইনবাবগরঞ্জে পৃথক অভিযানে চাঞ্চল্যকর আনিসুর রহমান ওরফে বেহেদুলা (৬৫) হত্যা মামলার ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে র্যাব-৫ ব্যাটালিয়নের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- শিবগঞ্জ পৌর দেওয়ান জায়গীর মহল্লার আব্দুল হামিদের ছেলে মো.ইমন (২৭) এবং একই মহল্লার মৃত রুপবান আলীর ছেলে মো.হিমেল (২৬)।
র্যাব জানায়, শুক্রবার (১৩ মার্চ) ভোররাতে জেলা সদরের বড় ইন্দ্রারা মোড় এলাকা থেকে মামলার ১৬ নম্বর আসামি ইমনকে এবং গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে মামলার ৪ নম্বর আসামি হিমেলকে শিবগঞ্জের সেলিমাবাদ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনা ও এজাহারসূত্রে র্যাব জানায়, গত ৮ মার্চ শিবগঞ্জ স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলের অফিসে একটি নারীঘটিত বিষয় নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে শালিশ বসে। কিন্তু শিবগঞ্জের দূর্লভপুর ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত শালিসে বাদী ও আসামিপক্ষের লোকজনের মধ্যে কথাাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাদী পক্ষের লোকজন শালিস থেকে উঠে বাড়ির পথে রওনা হন। পথে আসামিপক্ষের লোকজন বাদী পক্ষের লোকজনকে গালিগালাজ করলে হামলার ঘটনা ঘটে।
র্যাব আরো জানায়, এসময় বাদী মো. আসমাউলের (৪০) উপর হামলা হলে তার পিতা নিহত আনিসুর রহমান এগিয়ে যান। তখন তাকে আসামিরা লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করলে তিনি আহত হয়। নিহতের অপর ছেলে রাব্বিকুল ইসলাম বুলবুল ও ভাই মনসুর রহমানের উপরও ধারাল অস্ত্র নিয়ে হত্যার উদ্দেশে আঘাত করা হয়। তখন আহতদের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে তাদেরকে ভয় দেখিয়ে ও হুমকি দিয়ে আসামিরা চলে যায়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- শিবগঞ্জ পৌর দেওয়ান জায়গীর মহল্লার আব্দুল হামিদের ছেলে মো.ইমন (২৭) এবং একই মহল্লার মৃত রুপবান আলীর ছেলে মো.হিমেল (২৬)।
র্যাব জানায়, শুক্রবার (১৩ মার্চ) ভোররাতে জেলা সদরের বড় ইন্দ্রারা মোড় এলাকা থেকে মামলার ১৬ নম্বর আসামি ইমনকে এবং গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে মামলার ৪ নম্বর আসামি হিমেলকে শিবগঞ্জের সেলিমাবাদ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনা ও এজাহারসূত্রে র্যাব জানায়, গত ৮ মার্চ শিবগঞ্জ স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলের অফিসে একটি নারীঘটিত বিষয় নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে শালিশ বসে। কিন্তু শিবগঞ্জের দূর্লভপুর ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত শালিসে বাদী ও আসামিপক্ষের লোকজনের মধ্যে কথাাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাদী পক্ষের লোকজন শালিস থেকে উঠে বাড়ির পথে রওনা হন। পথে আসামিপক্ষের লোকজন বাদী পক্ষের লোকজনকে গালিগালাজ করলে হামলার ঘটনা ঘটে।
র্যাব আরো জানায়, এসময় বাদী মো. আসমাউলের (৪০) উপর হামলা হলে তার পিতা নিহত আনিসুর রহমান এগিয়ে যান। তখন তাকে আসামিরা লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করলে তিনি আহত হয়। নিহতের অপর ছেলে রাব্বিকুল ইসলাম বুলবুল ও ভাই মনসুর রহমানের উপরও ধারাল অস্ত্র নিয়ে হত্যার উদ্দেশে আঘাত করা হয়। তখন আহতদের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে তাদেরকে ভয় দেখিয়ে ও হুমকি দিয়ে আসামিরা চলে যায়।


