South east bank ad

ডিজিটাল হাজিরা দিয়ে দাপ্তরিক নিয়ম মানার উদাহরণ প্রধানমন্ত্রীর

 প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন   |   প্রধানমন্ত্রী

ডিজিটাল হাজিরা দিয়ে দাপ্তরিক নিয়ম মানার উদাহরণ প্রধানমন্ত্রীর


 রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’সহ কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সরকারি সিদ্ধান্ত নিজের দপ্তর থেকেই বাস্তবায়ন শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  একই সঙ্গে সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো নিয়ম মেনে তিনি নিজেই দিচ্ছেন ডিজিটাল হাজিরা।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সব ধরনের ফাইল, নথি ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে প্রধানমন্ত্রী পদবির আগে ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে অফিস করেন।নিজের দপ্তরে প্রবেশের আগে তিনি ডিজিটাল হাজিরা দেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। দিনের কাজ শেষে কার্যালয় ছাড়ার সময়ও নির্ধারিত পদ্ধতিতে হাজিরা দিয়ে অফিস ত্যাগ করেছেন তিনি।

এর আগে, গত বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক পরিপত্রে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার করা যাবে না।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের এই নির্দেশনা কেবল কাগজে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রধানমন্ত্রী নিজের কার্যালয়েই তা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন।

তার কাছে উপস্থাপন করা ফাইল ও অন্যান্য সরকারি নথিতে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ না লিখে শুধু ‘প্রধানমন্ত্রী’ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই কর্মকর্তা আরও জানান, ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ধারাবাহিক ইতিবাচক উদ্যোগের অংশ। এর মাধ্যমে পদমর্যাদার আনুষ্ঠানিক বিশেষণের চেয়ে দায়িত্ব, জনসেবা এবং দেশ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতাকে সামনে আনার বার্তা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারপ্রধান হয়েও দাপ্তরিক নিয়মের ক্ষেত্রে নিজের ওপর তা প্রয়োগ করে প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ম মেনে চলার অনন্য নজির স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রশাসনে সময়ানুবর্তিতা, জবাবদিহি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের অংশ। রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকা ব্যক্তিই যখন সাধারণ দাপ্তরিক নিয়ম মেনে চলেন, তখন প্রশাসনের অন্যদের কাছেও একই নিয়ম অনুসরণের প্রত্যাশা আরও স্পষ্ট হয়। 
BBS cable ad

প্রধানমন্ত্রী এর আরও খবর: