শিরোনাম

South east bank ad

পাট অধিদপ্তরের সব কার্যালয় শতভাগ তামাকমুক্ত করার ঘোষণা

 প্রকাশ: ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন   |   মন্ত্রী

পাট অধিদপ্তরের সব কার্যালয় শতভাগ তামাকমুক্ত করার ঘোষণা
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ধূমপান ও তামাকমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে পাট অধিদপ্তরের সব কার্যালয়কে ‘শতভাগ তামাকমুক্ত এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা এবং সব অফিসে দৃশ্যমান স্থানে ‘নো-স্মোকিং’ সাইনেজ স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সৈয়দ মো. নূরুল বাসির।

আজ পাট অধিদপ্তরের সভাকক্ষে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন (সংশোধন) ২০২৬ অনুযায়ী পাট অধিদপ্তরের অফিসসমূহে শতভাগ তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

মহাপরিচালক বলেন, পাট অধিদপ্তরের অধীন সব কার্যালয়কে তামাকমুক্ত এলাকা ঘোষণা করে অফিস আদেশ জারি করা হবে। কর্মস্থলে তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে এবং সব অফিসে তামাকবিরোধী সাইনেজ স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, তামাকের কোনো ইতিবাচক দিক নেই। এটি শুধু ব্যবহারকারীর নয়, পরিবার, সহকর্মী ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ক্ষতিকর। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।

সভায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন জানায়, দেশে ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক তামাক ব্যবহার করেন এবং তামাকজনিত রোগে প্রতিবছর প্রায় দুই লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। একই সঙ্গে প্রায় চার কোটি অধূমপায়ী পরোক্ষ ধূমপানের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। ২০২৪ সালে তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যেখানে একই সময়ে সরকারের রাজস্ব আয় ছিল প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা।

অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতি কমবে এবং ধূমপায়ীদের তামাক ছাড়ার প্রবণতাও বাড়বে। তিনি বলেন, ধূমপান ত্যাগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শরীরে ইতিবাচক পরিবর্তন শুরু হয় এবং কয়েক বছরের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে।
BBS cable ad

মন্ত্রী এর আরও খবর: