আমি ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল নির্বাচনে বিশ্বাসী: নাসির উদ্দিন

নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আমি ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল নির্বাচনে বিশ্বাসী। এটাই আমার মিশন। এটাই আমার ভিশন। এটাই আমার দায়িত্ব এবং এটাই আমার কমিটমেন্ট টু দ্য নেশন।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে নতুন সিইসি এসব কথা বলেন।
সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচন কমিশনার এটা অত্যন্ত গুরু দায়িত্ব। এমন অবস্থায় দায়িত্ব এসেছে প্রত্যাশাও অনেক বেশি থাকবে। বিশেষ করে নির্বাচন নিয়ে। আমি সর্বোচ্চ ত্যাগের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করবো, এটাই অঙ্গিকার।
সামনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, চ্যালেঞ্জ থাকবেই। আমি আগে সচিব হিসেবে স্বাস্থ্য, জ্বালানি ও তথ্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছি। সেখানেও তো চ্যালেঞ্জ ছিল। ভবিষ্যতে আরো আসবে। এটা মোকাবিলা করেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এছাড়া নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগ পেয়েছেন- সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ, সাবেক যুগ্মসচিব বেগম তহমিদা আহমদ ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দায়িত্ব গ্রহণের আড়াই বছরের মধ্যেই পদত্যাগ করে এই কমিশন। ২০২২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সিইসি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী হাবিবুল আউয়াল।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। পরদিনই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা শপথ নেন।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে নতুন সিইসি এসব কথা বলেন।
সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচন কমিশনার এটা অত্যন্ত গুরু দায়িত্ব। এমন অবস্থায় দায়িত্ব এসেছে প্রত্যাশাও অনেক বেশি থাকবে। বিশেষ করে নির্বাচন নিয়ে। আমি সর্বোচ্চ ত্যাগের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করবো, এটাই অঙ্গিকার।
সামনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, চ্যালেঞ্জ থাকবেই। আমি আগে সচিব হিসেবে স্বাস্থ্য, জ্বালানি ও তথ্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছি। সেখানেও তো চ্যালেঞ্জ ছিল। ভবিষ্যতে আরো আসবে। এটা মোকাবিলা করেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এছাড়া নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগ পেয়েছেন- সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ, সাবেক যুগ্মসচিব বেগম তহমিদা আহমদ ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দায়িত্ব গ্রহণের আড়াই বছরের মধ্যেই পদত্যাগ করে এই কমিশন। ২০২২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সিইসি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী হাবিবুল আউয়াল।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। পরদিনই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা শপথ নেন।