আনসার বাহিনীতে উপজেলা পর্যায়ে খরচ বহনে হিমশিম খাচ্ছে কর্মকর্তারা
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মাঠ পর্যায়ে বরাদ্দ বণ্টন নিয়ে নানা সময়ের নানা প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন উৎসবে ডিউটি পালনসহ সর্বশেষ সরকার ও নির্বাচন কমিশন থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ এলেও তার একটি অংশ উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে না। এতে প্রকৃত খরচ মেটাতে গিয়ে অনেক উপজেলা ও থানা পর্যায়ের কর্মকর্তা আর্থিক সংকটে পড়ছেন এবং কিছু ক্ষেত্রে কারো কারো ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করতেও বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি তাদের।
মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, বরাদ্দ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার অভাব এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
যা তাদের মধ্যে গভীর অসন্তোষ তৈরি করছে।
নাম প্রকাশ না করে অনন্ত পাঁচজন উপজেলা কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, জাতীয় নির্বাচনের প্রায় এক মাস হতে চললেও এখন পর্যন্ত কিছু উপজেলার বরাদ্দ তারা পাননি। বরং তাদের কারো কারো পকেট থেকে ৪০ হাজারের অধিক টাকাও খরচ হয়ে গেছে। এখন খরচ বাবদ মোট টাকা কবে পাবেন সেটা নিয়েও দুঃচিন্তায় আছেন।
তাদের একজন বলেন, আমাদের যা খরচ হয়, তার পুরো টাকা দেওয়া হয় না। তাদের দাবি, নির্বাচনের যত কাজ আছে সব কাজই করে উপজেলার কর্মকর্তারা, কিন্তু ভাতা বিতরণ ও নির্বাচন খরচ উপজেলায় বরাদ্দ দেওয়া হয় না।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, একটি বড় উপজেলায় সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন থেকে বরাদ্দ আসার পরও ঠিকমতো উপজেলা পর্যায়ে সরাসরি সেই অর্থ পৌঁছায় না বলে অভিযোগ রয়েছে।
ফলে নির্বাচন পরিচালনার সময় মনিহারি সামগ্রী, জ্বালানি ব্যয়, পরিবহনসহ বিভিন্ন খরচ মেটাতে উপজেলা ও থানা অফিসারদের অধিকাংশ সময় ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করতে হয়। ফলে প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় কম অর্থ হাতে পাওয়ায় তাদের বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।
তারা বলছেন, নির্বাচন পরিচালনার প্রশিক্ষণ প্রদান, সদস্য মোতায়েন, মাঠ পর্যায়ে সমন্বয়সহ প্রায় সকল কার্যক্রমই উপজেলা ও থানা কর্মকর্তারা সম্পন্ন করেন। কিন্তু আর্থিক বরাদ্দ প্রদান করা হয় জেলা পর্যায়ে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দাবি, জেলা থেকে অধিকাংশ সময় প্রকৃত খরচের তুলনায় কম অর্থ উপজেলা পর্যায়ে দেওয়া হয়।
মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, বরাদ্দ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার অভাব এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
যা তাদের মধ্যে গভীর অসন্তোষ তৈরি করছে।
নাম প্রকাশ না করে অনন্ত পাঁচজন উপজেলা কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, জাতীয় নির্বাচনের প্রায় এক মাস হতে চললেও এখন পর্যন্ত কিছু উপজেলার বরাদ্দ তারা পাননি। বরং তাদের কারো কারো পকেট থেকে ৪০ হাজারের অধিক টাকাও খরচ হয়ে গেছে। এখন খরচ বাবদ মোট টাকা কবে পাবেন সেটা নিয়েও দুঃচিন্তায় আছেন।
তাদের একজন বলেন, আমাদের যা খরচ হয়, তার পুরো টাকা দেওয়া হয় না। তাদের দাবি, নির্বাচনের যত কাজ আছে সব কাজই করে উপজেলার কর্মকর্তারা, কিন্তু ভাতা বিতরণ ও নির্বাচন খরচ উপজেলায় বরাদ্দ দেওয়া হয় না।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, একটি বড় উপজেলায় সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন থেকে বরাদ্দ আসার পরও ঠিকমতো উপজেলা পর্যায়ে সরাসরি সেই অর্থ পৌঁছায় না বলে অভিযোগ রয়েছে।
ফলে নির্বাচন পরিচালনার সময় মনিহারি সামগ্রী, জ্বালানি ব্যয়, পরিবহনসহ বিভিন্ন খরচ মেটাতে উপজেলা ও থানা অফিসারদের অধিকাংশ সময় ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করতে হয়। ফলে প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় কম অর্থ হাতে পাওয়ায় তাদের বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।
তারা বলছেন, নির্বাচন পরিচালনার প্রশিক্ষণ প্রদান, সদস্য মোতায়েন, মাঠ পর্যায়ে সমন্বয়সহ প্রায় সকল কার্যক্রমই উপজেলা ও থানা কর্মকর্তারা সম্পন্ন করেন। কিন্তু আর্থিক বরাদ্দ প্রদান করা হয় জেলা পর্যায়ে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দাবি, জেলা থেকে অধিকাংশ সময় প্রকৃত খরচের তুলনায় কম অর্থ উপজেলা পর্যায়ে দেওয়া হয়।


