ফুটপাতের দোকান, রেস্টুরেন্ট ওয়ার্কশপের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে ডিএমপি
রাজধানীর ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
গতকাল ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ঢাকা শহরের ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে পরিচালিত দোকান, রেস্টুরেন্ট, ওয়ার্কশপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বর্ধিতাংশ অনতিবিলম্বে অপসারণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। অন্যথায় আগামী ১ এপ্রিল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব সীমানার বাইরে ফুটপাত ও সড়কের অংশ দখল করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর ফলে পথচারীদের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে তাদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। রেস্টুরেন্টের রান্নার সরঞ্জাম, গ্রিল ও কাবাব মেশিন, মোটর ওয়ার্কশপের টায়ার ও যন্ত্রপাতি, ওয়েল্ডিং সামগ্রী, পোশাক ও আসবাবপত্রের দোকানের প্রদর্শনী সামগ্রীসহ বিভিন্ন মালামাল ফুটপাত ও রাস্তায় রাখা হচ্ছে। এমনকি অনেক মোটরগাড়ির ওয়ার্কশপ রাস্তার এক লেন দখল করে মেরামতের কাজ পরিচালনা করছে। এসব অবৈধ দখলের কারণে পথচারীরা বাধ্য হয়ে সড়কে চলাচল করছে, যা যানজট বৃদ্ধির পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে সব ব্যবসায়ীকে দ্রুত ফুটপাত ও রাস্তা থেকে তাদের মালামাল সরিয়ে নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও মালামাল জব্দসহ কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে। ডিএমপির পক্ষ থেকে জনস্বার্থে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে নগরবাসী ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
গতকাল ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ঢাকা শহরের ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে পরিচালিত দোকান, রেস্টুরেন্ট, ওয়ার্কশপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বর্ধিতাংশ অনতিবিলম্বে অপসারণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। অন্যথায় আগামী ১ এপ্রিল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব সীমানার বাইরে ফুটপাত ও সড়কের অংশ দখল করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর ফলে পথচারীদের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে তাদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। রেস্টুরেন্টের রান্নার সরঞ্জাম, গ্রিল ও কাবাব মেশিন, মোটর ওয়ার্কশপের টায়ার ও যন্ত্রপাতি, ওয়েল্ডিং সামগ্রী, পোশাক ও আসবাবপত্রের দোকানের প্রদর্শনী সামগ্রীসহ বিভিন্ন মালামাল ফুটপাত ও রাস্তায় রাখা হচ্ছে। এমনকি অনেক মোটরগাড়ির ওয়ার্কশপ রাস্তার এক লেন দখল করে মেরামতের কাজ পরিচালনা করছে। এসব অবৈধ দখলের কারণে পথচারীরা বাধ্য হয়ে সড়কে চলাচল করছে, যা যানজট বৃদ্ধির পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে সব ব্যবসায়ীকে দ্রুত ফুটপাত ও রাস্তা থেকে তাদের মালামাল সরিয়ে নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও মালামাল জব্দসহ কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে। ডিএমপির পক্ষ থেকে জনস্বার্থে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে নগরবাসী ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।


