বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দালালচক্রের ০৮ জন দালাল আটক
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দালালচক্রের মোট ০৮ জন দালালকে আটক করেছে র্যাব-৮, বরিশাল
১। র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরণের খুন ধর্ষণ, চুরি, ডাকাতি, চোরাকারবারিসহ বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ড রোধে অতি দ্রুততার সাথে আসামী গ্রেফতার করে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে যা সাধারণ জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে ।
২। এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-৮, বরিশাল এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল অদ্য ১২ মে ২০২৬ তারিখ দুপুর ১২.০০ ঘটিকায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দালাল চক্রের মোট ০৮ জন দালালকে আটক করে। আটককৃত দালাল চক্রের সদস্যরা হলেন ১। মোঃ রুবেল (২২), সাং-চরমোনাই, পোঃ চরমোনাই, থানা-বাকেরগঞ্জ, জেলা-বরিশাল, ২। তাসনিম জাহান মিম (২৩), সাং-হবিরকাঠি, পোষ্ট-চাচইর, থানা-ঝালকাঠি, জেলা-ঝালকাঠি, ৩। হাফিজা আক্তার, সাং-রাইপয়সা, পোঃ রাইপয়সা, থানা-কোতয়ালি, জেলা-বরিশাল, ৪। সুমি আক্তার (১৯), সাং-কামদেবপুর, পোষ্টঃ কামদেবপুর, থানা-কোতয়ালি, জেলা-বরিশাল, ৫। লাবনী আক্তার নাজমা (২৮), সাং-চৈতা, থানা-মির্জাগঞ্জ, জেলা-পটুয়াখালী, ৬। আইয়শা সিদ্দিকা (৩০), সাং-কাশিমপুর, পোঃ কাশিমপুর, থানা-বিমানবন্দর, জেলা-বরিশাল, ৭। ছাবিনা (৩০), সাং-চৈতা, পোঃ চৈতা, থানা-মির্জাগঞ্জ, জেলা-বরিশাল, এবং ৮। রুমান সরদার (১৭), সাং-কাশিপুর, পোঃ কাশিপুর, থানা-বিমানবন্দর, বরিশাল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, দীর্ঘদিন যাবৎ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালাল চক্র অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ জনগণ বিভিন্নভাবে হয়রানির স্বীকার হচ্ছে। সাধারণ জনগণকে ভাল চিকিৎসার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়া, আগে ডাক্তার দেখানোর জন্য অবৈধভাবে টাকা নেওয়া, হাসপাতালে বেড পাওয়ার জন্য টাকা নেওয়া, বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য বেসরকারি ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রেরণ ও তাদের বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে ভুল চিকিৎসায় অনেক নিরীহ মানুষের প্রাণহানিসহ বিভিন্ন হয়রানিমূলক কর্মকান্ডের খবর পাওয়া যায়।
৩। পরবর্তীতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান ও জরিমানা করা হয়। এক জন অপ্রাপ্ত বয়স্ককে সতকর্তামূলক মুচলেকার মাধ্যমে মুক্তি দেয়া হয়।
৪। উল্লেখ্য, যে কোন ধরনের অস্থিতিশীলতা, চোরাকারবারি ও দালাল চক্রকে আইনের আওতায় নিয়ে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের কঠোর হস্তে দমনে র্যাব-৮, বরিশাল দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।


