ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ
ঘন কুয়াশার কারণে দেশের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম ব্যস্ত নৌপথ পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টা থেকে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িকভাবে সব ধরনের ফেরি সার্ভিস বন্ধ রাখা হয়েছে। এসময় মাঝ নদীতে আটকা পড়ে দুটি ফেরি।
বাংলাদেশ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা এরিয়া অফিসের সহকারী-মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) আব্দুস সালাম বলেন, ‘পাটুরিয়া প্রান্তের তিন নম্বর ঘাটে রো-রো ফেরি বিএস ডা. গোলাম মাওলা ও ভাষা শহীদ বরকত নোঙর করে আছে।
এ ছাড়া একই প্রান্তের চার নম্বর ঘাটে নোঙর করে আছে, রো-রো ফেরি শাহ পরান ও রো-রো ফেরি এনায়েতপুরী। অন্যদিকে দৌলতদিয়া প্রান্তের সাত নম্বর ঘাটে নোঙর করে আছে, রো-রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন, শাহ মখদুম ও ইউটিলিটি ফেরি হাসনাহেনা। এছাড়া ঘনকুয়াশার জালে মাঝ পদ্মায় দৌলতদিয়াগামী যানবাহন ও যাত্রী বোঝাই করে নোঙর করে আছে দুটি ফেরি। এগুলো হচ্ছে রো-রো ফেরি কেরামত আলী ও রো-রো ফেরি-বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর।
কুয়াশা কমে দৃশ্যমানতা স্বাভাবিক হলে দ্রুত সার্ভিস চালু করা হবে।’
কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিল যে ফেরির ব্রিজ থেকে আশপাশের কোনো নৌযান বা তীরভূমি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল না। ফলে যাত্রী ও যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টা থেকে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িকভাবে সব ধরনের ফেরি সার্ভিস বন্ধ রাখা হয়েছে। এসময় মাঝ নদীতে আটকা পড়ে দুটি ফেরি।
বাংলাদেশ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা এরিয়া অফিসের সহকারী-মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) আব্দুস সালাম বলেন, ‘পাটুরিয়া প্রান্তের তিন নম্বর ঘাটে রো-রো ফেরি বিএস ডা. গোলাম মাওলা ও ভাষা শহীদ বরকত নোঙর করে আছে।
এ ছাড়া একই প্রান্তের চার নম্বর ঘাটে নোঙর করে আছে, রো-রো ফেরি শাহ পরান ও রো-রো ফেরি এনায়েতপুরী। অন্যদিকে দৌলতদিয়া প্রান্তের সাত নম্বর ঘাটে নোঙর করে আছে, রো-রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন, শাহ মখদুম ও ইউটিলিটি ফেরি হাসনাহেনা। এছাড়া ঘনকুয়াশার জালে মাঝ পদ্মায় দৌলতদিয়াগামী যানবাহন ও যাত্রী বোঝাই করে নোঙর করে আছে দুটি ফেরি। এগুলো হচ্ছে রো-রো ফেরি কেরামত আলী ও রো-রো ফেরি-বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর।
কুয়াশা কমে দৃশ্যমানতা স্বাভাবিক হলে দ্রুত সার্ভিস চালু করা হবে।’
কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিল যে ফেরির ব্রিজ থেকে আশপাশের কোনো নৌযান বা তীরভূমি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল না। ফলে যাত্রী ও যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।


