শারদীয় দুর্গাপূজা: ৩ দিন বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট—উভয় বিভাগের বিচারিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম টানা তিন দিন বন্ধ থাকবে।
সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, শারদীয় দুর্গাপূজার প্রধান আনুষ্ঠানিকতা ও উদযাপনের অংশ হিসেবে আগামী ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর (যথাক্রমে মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার) সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের সব ধরনের নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম পুরোপুরি স্থগিত থাকবে।
ছুটি চলাকালীন সাধারণ বিচারপ্রার্থীদের সুবিধার্থে এবং প্রশাসনিক কাজের সমন্বয় রক্ষায় বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয় যে, ছুটির দিনগুলোর ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগামী ১৭ অক্টোবর (শনিবার) সাধারণ ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের দাপ্তরিক কার্যক্রম যথারীতি খোলা ও চলমান থাকবে।
উল্লেখ্য, প্রতিবছর শারদীয় দুর্গাপূজা ও অন্যান্য প্রধান ধর্মীয় উৎসবের সময় সুপ্রিম কোর্টের বার্ষিক পঞ্জিকা বা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে জরুরি মামলা ও জামিন শুনানির প্রয়োজন দেখা দিলে নিয়ম অনুযায়ী প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় নির্দিষ্ট অবকাশকালীন বা জরুরি বেঞ্চ গঠন করা হতে পারে, যাতে বিচারপ্রার্থীরা জরুরি আইনি সেবা থেকে বঞ্চিত না হন।
সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, শারদীয় দুর্গাপূজার প্রধান আনুষ্ঠানিকতা ও উদযাপনের অংশ হিসেবে আগামী ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর (যথাক্রমে মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার) সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের সব ধরনের নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম পুরোপুরি স্থগিত থাকবে।
ছুটি চলাকালীন সাধারণ বিচারপ্রার্থীদের সুবিধার্থে এবং প্রশাসনিক কাজের সমন্বয় রক্ষায় বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয় যে, ছুটির দিনগুলোর ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগামী ১৭ অক্টোবর (শনিবার) সাধারণ ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের দাপ্তরিক কার্যক্রম যথারীতি খোলা ও চলমান থাকবে।
উল্লেখ্য, প্রতিবছর শারদীয় দুর্গাপূজা ও অন্যান্য প্রধান ধর্মীয় উৎসবের সময় সুপ্রিম কোর্টের বার্ষিক পঞ্জিকা বা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে জরুরি মামলা ও জামিন শুনানির প্রয়োজন দেখা দিলে নিয়ম অনুযায়ী প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় নির্দিষ্ট অবকাশকালীন বা জরুরি বেঞ্চ গঠন করা হতে পারে, যাতে বিচারপ্রার্থীরা জরুরি আইনি সেবা থেকে বঞ্চিত না হন।


