জ্বালানি মজুদ-চোরাচালান রোধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জ্বালানি তেলের চলমান সংকটে সংসদ সদস্যদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশে জ্বালানি তেলের সংকট না থাকলেও পরিকল্পিতভাবে সংকট সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। এ জন্য অবৈধভাবে মজুদ করা হচ্ছে। এমনকি পাচারও করা হচ্ছে।
অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংসদ সদস্যদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি এ কাজে স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সংসদ ভবনে সরকারদলীয় সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম।
তিনি জানান, বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের সরকারি দলের সভায় দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি সরকারের চলমান কার্যক্রম, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করা হয়। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকের শুরুতে স্পিকারের সহধর্মিণীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও মোনাজাত করা হয়। এ ছাড়া সাম্প্রতিক বাস ও ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে।
কেন এসব দুর্ঘটনা ঘটছে এবং ভবিষ্যতে তা রোধে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা সংসদীয় কমিটিকে অবহিত করেন।
এ ছাড়া সংসদ অধিবেশনের আগামী দিনগুলো সদস্যরা কী দায়িত্ব পালন করবেন, বিশেষ করে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। আগামীকাল রবিবার দুপুর দেড়টায় আবারও একই স্থানে সরকারি দলের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ওই বৈঠকে এলাকাভিত্তিক জ্বালানি তেলের পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরা হয়। এ সময় জ্বালানি তেল নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে বলে উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংসদ সদস্যদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি এ কাজে স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সংসদ ভবনে সরকারদলীয় সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম।
তিনি জানান, বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের সরকারি দলের সভায় দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি সরকারের চলমান কার্যক্রম, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করা হয়। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকের শুরুতে স্পিকারের সহধর্মিণীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও মোনাজাত করা হয়। এ ছাড়া সাম্প্রতিক বাস ও ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে।
কেন এসব দুর্ঘটনা ঘটছে এবং ভবিষ্যতে তা রোধে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা সংসদীয় কমিটিকে অবহিত করেন।
এ ছাড়া সংসদ অধিবেশনের আগামী দিনগুলো সদস্যরা কী দায়িত্ব পালন করবেন, বিশেষ করে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। আগামীকাল রবিবার দুপুর দেড়টায় আবারও একই স্থানে সরকারি দলের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ওই বৈঠকে এলাকাভিত্তিক জ্বালানি তেলের পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরা হয়। এ সময় জ্বালানি তেল নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে বলে উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।


