শিরোনাম

South east bank ad

জিএমপি কমিশনারের ঘুষ-দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদকে আবেদন ২ আইনজীবীর

 প্রকাশ: ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০৫:১৯ অপরাহ্ন   |   পুলিশ

জিএমপি কমিশনারের ঘুষ-দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদকে আবেদন ২ আইনজীবীর

 
গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. নাজমুল করিম খানের ব্যবহৃত ব্যক্তিগত সাদা রঙের গাড়ি ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত কি না সে বিষয়ে অনুসন্ধান করতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী।
 
দুদক চেয়ার‌ম্যানের কাছে গত ২৮ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) করা আবেদনে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাদিম মাহমুদ ও ইয়াছিন আলফাজ আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরুর অনুরোধ করেছেন।

 
আবেদনে তারা বলেন, মো. নাজমুল করিম খানের ব্যবহৃত ব্যক্তিগত সাদা রঙের গাড়িটি ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে কি না তা দেখা দুদক আইনের তফসিলভুক্ত বিষয়। এটি দুদকের এখতিয়ারভুক্ত। এ বিষয়ে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে অনুসন্ধান শুরু ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া আবশ্যক।

২৪ আগস্ট মো. নাজমুল করিম খানকে নিয়ে ‘পুলিশ কমিশনার থাকেন ঢাকায়, রাস্তা বন্ধ করে ঢোকেন গাজীপুরে’ শীর্ষক খবর প্রকাশ করে একটি জাতীয় দৈনিক। যেখানে উল্লেখ করা হয়, গাজীপুরের পুলিশ কমিশনারের প্রটোকলের জন্য উড়ালসড়ক ফাঁকা রাখতে হয়। আর ওই সময়ে যাত্রী, চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী- সবার যাতায়াত থমকে থাকে। যানজটে হাঁসফাঁস করা মানুষের অনেকে জানেনও না, এই নগরের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রক ব্যক্তি থাকেন অন্য শহরে।
 
জিএমপি কমিশনার যে গাড়িতে চড়ে যাতায়াত করেন, সেই গাড়ি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাদা রঙের গাড়িটি (প্রাডো) সরকারি নাকি ব্যক্তিগত, সেটাও পরিষ্কার নয়। গাড়িতে রেজিস্ট্রেশনের পূর্ণাঙ্গ কোনো নম্বর দেখা যায়নি বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাদিম মাহমুদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, জনস্বার্থে দুদকের চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন জমা দিয়েছি। বিষয়টি বিবেচনার জন্য আইনজীবী হিসেবে অনুরোধ করা হয়েছে। 

প্রসঙ্গত, গত ২৫ আগস্ট জিএমপি কমিশনারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
BBS cable ad