সরকারি ব্যবস্থাপনার হাজীদের সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা ফেরত
২০২৬ সালের হজে সরকারি ব্যবস্থাপনায় অংশ নেওয়া হাজীদের সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬৪ হাজার ১৯০ টাকা পর্যন্ত ফেরত দেওয়া হচ্ছে। সৌদি আরব পর্বে বাড়িভাড়া কম হওয়া এবং আলোচনার মাধ্যমে সার্ভিস চার্জ কমায় অব্যয়িত অর্থ হাজীদের ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। এ সময় ১০ জন হাজির হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে রিফান্ডের চেক তুলে দেওয়া হয়। অন্য হাজীদের টাকা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে।
ধর্মমন্ত্রী জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজী মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত পাবেন। তবে ২৩ জন হাজীর চিকিৎসা ব্যয় স্বাস্থ্যবীমার নির্ধারিত অর্থের চেয়ে বেশি হওয়ায় তারা কোনো অর্থ ফেরত পাবেন না।
প্যাকেজ ও হোটেলভেদে রিফান্ডের পরিমাণ ভিন্ন হবে। হজ প্যাকেজ-১ (বিশেষ)-এর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬৪ হাজার ১৯০ টাকা ৫৬ পয়সা পর্যন্ত ফেরত পাবেন দুই সিটের আপগ্রেডেশন করা হাজীরা। শর্ট প্যাকেজসহ এ অর্থের পরিমাণ সর্বোচ্চ ১ লাখ ৮০ হাজার ৫৭২ টাকা ৭১ পয়সা।
প্যাকেজ-২-এর বিভিন্ন হোটেলে সর্বনিম্ন ২ হাজার ৫০৫ টাকা ৪৯ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার ৭১৩ টাকা ৯৪ পয়সা পর্যন্ত এবং প্যাকেজ-৩-এর হাজীরা ৩ হাজার ৭১৮ টাকা ৯ পয়সা ফেরত পাবেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, হাজীদের স্বার্থে সরকারের এ অর্থ ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। তিনি জানান, ২০২৬ সালে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় হজের বিমানভাড়া আগের বছরের তুলনায় ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমানো হয়েছিল। ২০২৭ সালের হজে বিমানভাড়া আরও কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, রিফান্ডের অর্থ পাঠানোর জন্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে কখনোই ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের নম্বর কিংবা বিকাশ, নগদ বা রকেটের পিন/ওটিপি চাওয়া হবে না। এ ধরনের ফোন পেলে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।


