শিরোনাম

South east bank ad

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সুইডিশ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

 প্রকাশ: ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন   |   মন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সুইডিশ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস লিনাস রাগনার উইকস।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা, অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কারিগরি শিক্ষার প্রসার, কারিগরি সহায়তা এবং রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সুইডেন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। সরকার কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়নের মাধ্যমে দক্ষ ও বিশ্বমানের মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিকল্পনা ও প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, সুইডেনসহ ইউরোপের বাজারে কেয়ারগিভারসহ দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়ছে। বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশিক্ষণ জোরদার এবং দক্ষ মানবসম্পদ রপ্তানিতে সুইডেনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে সরকার।

সুইডিশ রাষ্ট্রদূত জানান, দক্ষিণ এশিয়ায় একমাত্র বাংলাদেশের সঙ্গেই সুইডেনের ‘দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা কৌশল’ রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে সুইডেনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমেই গভীর হচ্ছে এবং তৈরি পোশাক ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন খাতে সুইডিশ বিনিয়োগ বাড়ছে। বর্তমানে সুইডেনে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি অবস্থান করছেন বলেও জানান তিনি।

অনিয়মিত অভিবাসন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত উদ্বেগ প্রকাশ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে সরকার কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। পাচারকারীদের প্রলোভন ও উন্নত জীবনের প্রত্যাশায় অনেকে অনিয়মিত অভিবাসনের শিকার হচ্ছেন। এ সমস্যা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM)-এর সঙ্গে সমন্বয় করে দেশব্যাপী সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গা সংকটকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ডোনার গ্রুপের কো-চেয়ার হিসেবে সুইডেনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুইডেনের আগ্রহের কথা জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে সম্মানজনক ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশে সুইডিশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।চাইলে এটিকে আরও ৫-৬ প্যারার একেবারে সংক্ষিপ্ত নিউজ আকারেও করে দিতে পারি।





BBS cable ad