শিরোনাম

South east bank ad

ক্রসফায়ারকে না বলার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ

 প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ন   |   সরকার

ক্রসফায়ারকে না বলার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ


বিশেষ প্রতিনিধি 

হঠাৎ করেই ক্রসফায়ার নিয়ে দেশে একটি বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সময়োচিত হস্তক্ষেপে এই বিতর্ক শুরুতেই বন্ধ হয়ে গেছে।

ক্রসফায়ার হলো বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, যা সুস্পষ্ট ভাবে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। এটি মানবাধিকারের পরিপন্থী এবং ঘৃণ্য অপরাধ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই ক্রসফায়ারের নামে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন সময়ে বিগত সরকার গুলো এধরনের ঘটনার প্রতি মৌন সমর্থন দিয়েছে। অপরাধ দমনে এটাকে সহজ সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

কিন্তু এই ধরনের ঘটনা একটি সভ্য সমাজে কখনও গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আমাদের সংবিধান প্রতিটি নাগরিকের আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার নিশ্চিত করেছে। উপযুক্ত আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হবার আগে আইনের দৃষ্টিতে একজন ব্যক্তি নির্দোষ। আর বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণ করে, বিচারের আগেই অভিযুক্তকে সাজা প্রদান করে, তাও আবার সর্বোচ্চ শাস্তি! এটা কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো ব্যক্তি অপরাধে অভিযুক্ত হলেই তিনি অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়ে যান না। অভিযোগের গুরুত্ব যত বেশি হোক, তার সত্যতা প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। 

বাংলাদেশের মতো দেশে বিচার কার্যক্রমে ধীরগতির কারণে কেউ কেউ ক্রসফায়ারের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধকে বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু এর মাধ্যমে আইনের শাসনের প্রতি অবজ্ঞা দেখানো হয়। একজন অভিযুক্তকে সন্দেহাতীত ভাবে দোষী প্রমাণিত করা তদন্তকারী সংস্থার দায়িত্ব। বিচারবহির্ভূত হত্যার মাধ্যমে সেই দায়িত্ব এড়িয়ে গেলে অপরাধের প্রকৃত চিত্র উদ্‌ঘাটনের সুযোগও নষ্ট হয়। রাষ্ট্রীয় বাহিনী যদি নিজেই নির্ধারণ করতে শুরু করে কে বাঁচবে আর কে মরবে, তাহলে তার বলপ্রয়োগ আর আইনের শাসনের অধীন থাকে না। রাষ্ট্র তখন আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠান না হয়ে অস্ত্রের জোরে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া একটি শক্তিকেন্দ্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে। 
বিচারবহির্ভূত হত্যার সামাজিক ক্ষতিও সুদূরপ্রসারী। মানুষ যখন বিশ্বাস করতে শুরু করে যে আইন ক্ষমতাবানদের রক্ষা করে, আর বিরোধ নিষ্পত্তির শেষ উপায় বলপ্রয়োগ, তখন আইনের প্রতি শ্রদ্ধা কমে যায়। তরুণদের কাছে সহিংসতা গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। ব্যক্তিগত প্রতিশোধ, অনানুষ্ঠানিক বিচার কিংবা স্থানীয় প্রভাবশালীদের পরিচালিত সালিশের মতো ব্যবস্থাও তখন নতুন বৈধতা পেতে পারে।

ক্রসফায়ারের মাধ্যমে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের এক ধরনের বৈধতা দেয়া হয়। একই সাথে বিরোধী মত দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কেবল চিহ্নিত অপরাধে অভিযুক্ত নয়, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ক্রসফায়ারের নিশানায় পরিণত হন। এরফলে দেশে আইনের শাসন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার বিস্তার ঘটে।
বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগেই অঙ্গীকার করেছিল যে তারা ক্ষমতায় গেলে বিচার বহির্ভূত হত্যা বন্ধ করবে। ক্রসফায়ারের নামে হত্যা বন্ধ করবে। 

বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। গত আটমাসে একটিও ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার সহিষ্ণুতা এবং ধৈর্য্য ধারণ নীতি অনুসরণ করেছে। মব, চাঁদাবাজির মতো ঘটনাতেও সরকার আইনের শাসনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করেছে। 

কিন্তু হঠাৎ করেই পুলিশ প্রধানের একটি মন্তব্য সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি করে। সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে বলে মন্তব্য করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। গত সোমবার দুপুরে পুরান ঢাকার চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা ‘কমিউনিটি ইসলামিকের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইজিপি এ কথা বলেন।

আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, পুলিশ বলপ্রয়োগ করলে এক পক্ষ পুলিশকে ফ্যাসিস্ট বলে, আবার নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্বল বলে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে। তিনি বলেন, ‘যেখানে ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে আমরা সেটাই করব।’

এই বক্তব্যের প‍রপরই সারাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তাঁর বক্তব্যকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পক্ষে বিপজ্জনক বার্তা হিসেবে অভিহিত করে মানবাধিকার ও নাগরিক সংগঠনগুলো। বক্তব্য প্রত্যাহার, সরকারের ব্যাখ্যা এবং আইজিপির জবাবদিহি দাবি করেন তারা। নিন্দা জানায় কয়েকটি রাজনৈতিক দলও। তীব্র সমালোচনার মুখে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে একটি বিবৃতি দেয়া হয়। তারা দাবি করে, আইজিপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার অর্থে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করেননি।

পুলিশ সদর দপ্তরের পাঠানো ব্যাখ্যায় বলা হয়, ‘আইজিপি মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও জননিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। আইন প্রয়োগের কঠোরতা বোঝাতে গিয়ে তিনি ক্রসফায়ার শব্দটি আক্ষরিক অর্থে উল্লেখ করেছেন। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি শব্দটি ব্যবহার করেননি।’

পুলিশ সদর দপ্তরের ব্যাখ্যায় বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হলো অপরাধ দমন, অপরাধী গ্রেপ্তার, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এসব দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ সদস্যদের অপরাধী, সংঘবদ্ধ হামলাকারী ও আইন অমান্যকারীদের সরাসরি প্রতিরোধ ও আক্রমণের মুখোমুখি হতে হয়। ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালের প্রথম ১০ মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধী গ্রেপ্তার, অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ ও সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশের ওপর ১৭৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় চারজন পুলিশ সদস্য নিহত এবং ৩৭০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এতে আরও বলা হয়, দেশের প্রচলিত আইন বিশেষ করে দণ্ডবিধি, ১৮৬০; ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এবং পুলিশ অ্যাক্ট, ১৮৬১-এ পুলিশের আত্মরক্ষার অধিকারের কথা উল্লেখ রয়েছে।

তবে কোন কোন মহল এর পেছনে সরকারের ইন্ধন আছে কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তারা মনে করেন, পুলিশ প্রধানের এই বক্তব্যের সঙ্গে সরকারের যোগসূত্র রয়েছে। সরকারই আবার ক্রসফায়ার ফিরিয়ে আনতে চাইছে কিনা সে প্রশ্নও তোলে কেউ কেউ। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিজেদের ব্যর্থতার ঢাল হিসেবে পুলিশপ্রধান কি ঘৃণিত ক্রসফায়ারকে ব্যবহার করতে চাইছেন? সরকারের অনুমতির শর্ত জুড়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকে বৈধতা দেওয়ার পথ খোঁজা কি একই সঙ্গে আইনসম্মতভাবে অপরাধ দমনে ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি নয়?

পেশাদার তদন্ত, অপরাধী শনাক্ত এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারের মুখোমুখি করার বিকল্প হিসেবে ক্রসফায়ারকে সামনে আনা পেশাগত দেউলিয়াত্বের দৃষ্টান্ত বলেও মনে করেন ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, কোনো সরকারের অনুমতি বিচারবহির্ভূত হত্যাকে বৈধ করতে পারে না। সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে সুরক্ষিত আইনের আশ্রয়লাভ এবং জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার নির্বাহী সিদ্ধান্তে বাতিল করা যায় না। অভিযোগ যত গুরুতরই হোক, বিচারপ্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে কাউকে হত্যার এখতিয়ার পুলিশের নেই।
তবে এনিয়ে জলঘোলা করতে দেয়নি সরকার। সরকার এবং বিএনপির পক্ষ থেকে দ্রুত তাদের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়। 

‘সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ার করা হবে’— পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের এমন বক্তব্য সরকারের জন্য বিব্রতকর বলে মন্তব্য করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন যে বিএনপি দীর্ঘদিন গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, সেই দলের সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় পুলিশপ্রধানের মুখে ক্রসফায়ারের কথা তাঁদের ভাবিয়ে তুলছে। গত ১৭ বছর বিএনপি ক্রসফায়ার, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, রক্তক্ষরণ ও ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে বলে উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, সেই সংগ্রামের পরিণতিতে আমরা ৫ আগস্ট পেয়েছি, জুলাই পেয়েছি। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর সারা দেশের মানুষের প্রত্যাশা একটি মানবিক বাংলাদেশ। এমন প্রত্যাশার মধ্যে পুলিশ বাহিনীর প্রধানের মুখে ক্রসফায়ারের মতো কথা তাঁদের ভাবিয়ে তুলছে।

অপরাধ দমনে দেশে পর্যাপ্ত আইন রয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, এসব আইন প্রয়োগের দায়িত্ব আইন প্রয়োগকারী সংস্থার। প্রচলিত আইন দিয়েই সন্ত্রাস ও অপরাধ দমন সম্ভব। 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের বক্তব্য সুস্পষ্ট,দৃঢ় এবং দায়িত্বশীল। তিনি যেভাবে ক্রসফায়ারের ব্যাপারে দলের ও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেছেন তা প্রশংসার দাবি রাখে। 
এই বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বক্তব্য দেন। ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যকে সরাসরি নাকচ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘সরকার তো ক্রসফায়ার চায় না; বরং সরকার ক্রসফায়ারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স।’ আইজিপি অসতর্কতাবশত এমন কথা বলেছেন উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা ঠিক হয়নি, উচিত হয়নি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, সরকার তো ক্রসফায়ার চায় না; বরং সরকার ক্রসফায়ারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স। সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না, এ বিষয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, কাস্টডিয়াল ডেথ (পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু) সহ্য করবে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনের শাসন সরকারের প্রধান লক্ষ্য এবং আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। এ পর্যন্ত ক্রসফায়ারে মৃত্যু এবং হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে অপরাধ দমন এবং আইনের যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকার যা যা দরকার, সব করবে।
একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। ইউনুস আমলে যে মব সন্ত্রাসী এবং চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে তা বর্তমান সরকার এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের উপায় কখনোই বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা ক্রসফায়ার হতে পারে না। সরকারকে ধন্যবাদ এই কারণে যে আইনশৃঙ্খলার উন্নতির জন্য সরকার সস্তা জনপ্রিয়তার পথে যায়নি। এর সহজ এবং অগ্রণযোগ্য সমাধানের পথ খোঁজার চেষ্টা করেনি। বরং ক্রসফায়ার বা বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার প্রমাণ করেছে যে, এই সরকার যা বলে তা করে। এই কারণে বিএনপি সরকারকে একটা ধন্যবাদ দেয়া যেতেই পারে।




BBS cable ad

সরকার এর আরও খবর: