শিরোনাম

South east bank ad

২ আসনে নির্বাচন : প্রার্থীদের যোগ্যতা নিয়ে পরিপত্র জারি

 প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন   |   নির্বাচন কমিশন

২ আসনে নির্বাচন : প্রার্থীদের যোগ্যতা নিয়ে পরিপত্র জারি
আসন্ন শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনে প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা নিয়ে পরিপত্র জারি করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম পরিপত্র জারি করেন, যা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া বা থাকার যোগ্যতা-অযোগ্যতা বিষয়ে সংবিধানের ৬৬(১)(২) অনুচ্ছেদ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ১২(১) অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে ‘প্রজাতন্ত্রের কর্ম’ ও ‘সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ’-এর ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১২(১)-এর উপ-দফা (ক) অনুযায়ী, তিনি আদালত কর্তৃক ফেরারি বা পলাতক আসামি হিসেবে ঘোষিত হলে; উপ-দফা (গ) অনুযায়ী, তিনি প্রজাতন্ত্রের বা কোনো সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের অধীনে কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকলে; উপ-দফা (ঘ) অনুযায়ী, কোনো কোম্পানির পরিচালক বা ফার্মের অংশীদার হয়ে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে গৃহীত কোনো ঋণ বা তার কোনো কিস্তি মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনের পূর্বে পরিশোধে ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রার্থী হতে অযোগ্য হবেন।

তবে অনুচ্ছেদ ১২(১)-এর উপ-দফা (ঙ) অনুযায়ী, কৃষিকাজের জন্য গৃহীত ক্ষুদ্র কৃষিঋণ ব্যতীত অন্য কোনো ঋণ বা তার কিস্তি মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনের পূর্বে পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রার্থী অযোগ্য হবেন। একই সঙ্গে উপ-দফা (চ) অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনের পূর্বে প্রদেয় সরকারি টেলিফোন, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি বা অন্য কোনো সেবা প্রদানকারী সংস্থার বিল পরিশোধে ব্যর্থ হলেও তিনি প্রার্থী হতে পারবেন না।

অনুচ্ছেদ ১২(৩খ) অনুযায়ী, উপ-দফা (২)-এর অধীন প্রত্যেক মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থীর স্বাক্ষরিত একটি হলফনামা এবং সর্বশেষ করবর্ষের আয়কর রিটার্নের কপি সংযুক্ত করতে হবে।

এছাড়া কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর ৯(১) ধারা অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র (ফরমাল চার্জ) দাখিল হলে, একই আইনের ২০সি (১)(এ) ধারা মোতাবেক তিনি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়া বা বহাল থাকার অযোগ্য হবেন।

তফসিল অনুযায়ী, দুই আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২ মার্চ। রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক বাছাই ৫ মার্চ। আপিল দায়ের করা যাবে ৬ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত।
আপিল নিষ্পত্তি হবে ১১ মার্চ। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৪ মার্চ। প্রতীক বরাদ্দ ১৫ মার্চ এবং ভোট গ্রহণ ৯ এপ্রিল।

এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসন ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে নির্বাচিত হন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, একসঙ্গে একটির বেশি আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে থাকা যায় না।

তাই বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেওয়ার ইচ্ছা জ্ঞাপন করলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে ইসি। অন্যদিকে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে শেরপুর-৩ আসনের এক বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় সেই আসনের ভোট আরপিও অনুযায়ী স্থগিত করে কমিশন।
BBS cable ad