শিরোনাম

South east bank ad

রামুতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার অবিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার

 প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন   |   দেশ

রামুতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার অবিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি বিশাল অবিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার হয়েছে। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে যে বোমাটির ওপর দাঁড়িয়ে স্থানীয় মানুষ কাপড় ধুয়ে আসছিলেন, সেটিই যে একটি শক্তিশালী বোমা, তা জানাজানি হতেই এলাকায় চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বোমাটি উদ্ধার করা হয় রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লট উখিয়ারঘোনা তছাখালী এলাকার একটি পুকুরপাড় থেকে। দীর্ঘদিন পড়ে থাকা ভারী ধাতব বস্তুটিকে স্থানীয়রা সাধারণ লোহার বস্তু মনে করলেও সম্প্রতি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর অ্যামুনিশন বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেন, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি শক্তিশালী অবিস্ফোরিত বোমা।

পুলিশ জানায়, প্রায় ১০ থেকে ১৫ বছর আগে পুকুর সংস্কারের সময় কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি বস্তুটিকে পানি থেকে তুলে পাড়ে রেখে দেন। এরপর সেটিকে ঘিরেই চলতে থাকে দৈনন্দিন কাজ। বিশেষ করে নারীরা সেখানে নিয়মিত কাপড় ধুতেন। পরে পুকুর ভরাট হলে বোমাটি আব্দু শুক্কুর ড্রাইভার ও মনির আহমদের বাড়ির ভিটায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে।

স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ‘তখন বুঝিই নাই এটা বোমা। সামনে পাখার মতো অংশ ছিল। একটি শিকল ছিল, থালার মতো একটি লকারও ছিল, সেগুলো আমরা ভেঙে ভাঙারির কাছে বিক্রি করে দিছি।’

আরেক বাসিন্দা সিরাজুল হক বলেন, ‘এত বছর ধরে এখানে মানুষ যাতায়াত করেছে, কাপড় ধুইছে, কিন্তু আল্লাহর রহমতে কিছু হয়নি।

গত বৃহস্পতিবার রামুর ইতিহাস গবেষক ও আইনজীবী শিরূপন বড়ুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বোমাসদৃশ বস্তুটির ছবি পোস্ট করেন। তিনি ধারণা দেন, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার জাপানি বোমা হতে পারে এবং এতে বিস্ফোরক আছে কি না পরীক্ষা করা জরুরি। এরপরই বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভুঁইয়া বলেন, ‘এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি বড় অবিস্ফোরিত বোমা বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বোমাটিকে নিরাপদ স্থানে রেখে চারপাশ ঘিরে ফেলা হয়েছে।

BBS cable ad