শিরোনাম

South east bank ad

মেজর জেনারেল রফিকুল ইসলামের ১৭তম শাহাদাৎবার্ষিকী কাল

 প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন   |   সেনাবাহিনী

মেজর জেনারেল রফিকুল ইসলামের ১৭তম শাহাদাৎবার্ষিকী কাল
শহীদ মেজর জেনারেল মো রফিকুল ইসলাম, পিএসসি ছিলেন একজন চৌকস বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তা। তিনি এর পাশাপাশি ছিলেন একজন অপারেশনাল জেনারেল ও অকৃত্রিম দেশপ্রেমিক। আগামীকাল সোমবার (৯ মার্চ) এই শহীদ মেজর জেনারেল মো. রফিকুল ইসলামের ১৭তম শাহাদাৎবার্ষিকী।

বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার ১৯৫৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
মাত্র ১৫ বছর বয়সে একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি (বিএমএ) থেকে সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। বিএমএতে যোগদানের সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। এর আগে তিনি বানারীপাড়া হাই স্কুল এবং বরিশাল বিএম কলেজে পড়াশোনা করেছেন।

কমিশন লাভের মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেওয়ার কয়েক বছর পর আবারও তার ‘অপারেশনাল’ সামরিক জীবন শুরু হয়। সামরিক জীবনের শুরু থেকেই পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী দমনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ও অনন্য অবদান রাখেন।

লেফটেন্যান্ট থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পর্যন্ত বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ১৫ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ৩০ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ৪৫ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং ৪৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত থেকে চিটাগাং হিল ট্র্যাক্স ইনসার্জেন্সি চলাকালে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন অপারেশনাল দায়িত্ব পালন করেন।

দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হয়ে তিনি বিভিন্ন অপারেশনে সফলতার সঙ্গে নেতৃত্ব দেন এবং সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
তার সফল সামরিক জীবনে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পাশাপাশি অপারেশন দাবানল, অপারেশন ক্লিন হার্ট, ফার্স্ট আইভরিয়ান সিভিল ওয়ারসহ বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য অপারেশনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

অপারেশনাল কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পালন করেন।

২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকাণ্ডে নিহত মেজর জেনারেল শাকিলের সঙ্গে কয়েক দশকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল মেজর জেনারেল রফিকের। শুধু তাই নয়, পিলখানায় নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া অনেক অফিসারই ছিলেন তার ছাত্র এবং দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করা অধীনস্থ কর্মকর্তা।

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এবং সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদের নির্দেশ অমান্য করে মেজর জেনারেল রফিক তার অধীনস্থ একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন বিডিআর ক্যাম্পে অবরুদ্ধ সেনা কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারবর্গকে উদ্ধার করে যশোর ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে আসেন।
BBS cable ad

সেনাবাহিনী এর আরও খবর: