শিরোনাম

South east bank ad

প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন নীতিমালার পরিকল্পনা

 প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন   |   মন্ত্রণালয়

প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন নীতিমালার পরিকল্পনা

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, বদলি, মূল্যায়ন, পদোন্নতি ও বেতন-ভাতাসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নতুন এই নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
আর নতুন এই পরিকল্পনা কার্যকর হতে পারে ২০২৮ সাল থেকে।

গত ৮ জুন সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষার্থীদেরকে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয় দুইটি চতুর্থ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলকভাবে পড়তে হবে। আর ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে তাদের ‘কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা’ এবং ‘আনন্দময় শিক্ষা’ বা ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ পড়তে হবে।

নতুন শিক্ষাক্রমে বাংলা ও ইংরেজি ছাড়াও তৃতীয় আরেকটি ভাষা শিক্ষায়ও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

নতুন কারিকুলাম নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা, নাট্যকলা ও ক্রীড়া বিষয়ে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এসব বিষয়ে একটি টেকসই ক্যারিয়ার পাথওয়ে গড়ে উঠবে। ৫ বছরে এ খাতে প্রায় ৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।
এ জন্য এখনই সমন্বিত প্রস্তুতি নিতে হবে।

এদিকে, নতুন বিষয়গুলো আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই চালু হওয়ার কারণে বিপুলসংখ্যক প্রশিক্ষিত শিক্ষকের প্রয়োজন হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহযোগিতা কামনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই আপনাদের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যেন যুক্ত হওয়ার সুযোগ পান। সে লক্ষ্যে কিভাবে তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়, কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের সঙ্গে শিক্ষকতা-সম্পর্কিত প্রস্তুতি যুক্ত করা যায় এবং কিভাবে যৌথভাবে দক্ষ শিক্ষক তৈরি করা যায় সেসব বিষয়ে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই সংগীত, নাট্যকলা ও নৃত্যকলাকে শুধু সহশিক্ষা কার্যক্রম হিসেবে নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে।
এ জন্য কারিকুলাম উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষক তৈরির বিষয়েও এখন থেকেই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

নতুন যুক্ত হওয়া এসব বিষয়ে কোনো গ্রেড বা জিপিএ নির্ধারণ করা হবে না। শিক্ষার্থীদের কেবল পাশ বা ফেল হিসেবে মূল্যায়ন করা হবে।

BBS cable ad

মন্ত্রণালয় এর আরও খবর: