বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি দেশে আনা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইনফার্টিলিটি সেন্টারে আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইনফার্টিলিটি (আরইআই) ইউনিটে রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি ও পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস) সচেতনতা মাস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আগামী বাজেটে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইনফার্টিলিটি সেন্টারে প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়নে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। তিনি বলেন, ‘আগামী বাজেটে এটি বাস্তবায়নের জন্য আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসাও গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবার অংশ। কোনো দম্পতি সন্তান জন্ম দিতে না পারলে অনেক সময় সামাজিক কটূক্তি ও হয়রানির শিকার হতে হয়। চিকিৎসার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব হলে এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার কোনো কারণ নেই।
দেশের চিকিৎসকদের দক্ষতার প্রশংসা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মেধা, আমাদের বুদ্ধিমত্তা সব ক্ষেত্রেই রয়েছে। বিশেষ করে আমাদের চিকিৎসকেরা অত্যন্ত সফল।’
নিজের বক্তব্যে নিউরোসায়েন্সের একটি চিকিৎসার উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, গুরুতর অবস্থায় থাকা এক রোগীর বেঁচে থাকার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছিলেন অনেকে। পরিবারের সদস্যরা তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করানোর অনুরোধ করেছিলেন। তবে দেশের চিকিৎসকেরা তার চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। অস্ত্রোপচারের পর ওই রোগী নিজে হাঁটতে সক্ষম হন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও অনুকূল পরিবেশ পেলে দেশের চিকিৎসকেরা অনেক কিছু করতে পারেন। এ জন্য অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকদের পরবর্তী প্রজন্মের চিকিৎসকদের তৈরি করার আহ্বান জানান তিনি।


