৪৯তম বিসিএস: আরও ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
৪৯তম বিসিএসে আরও ৪০ জনকে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে দ্বিতীয় দফায় এ নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ৪৯তম বিসিএসে ৬১১ জনকে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
তখন পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে অনেককে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন পিএসসির সুপারিশপ্রাপ্ত। আন্দোলনেও নামেন তারা।
সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও প্রথম প্রজ্ঞাপনে বাদ পড়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. জসিম উদ্দীন হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের ফেসবুক আইডিতে দুটি পোস্ট দেন। প্রথম পোস্টে তিনি হতাশা প্রকাশ করেছেন। দ্বিতীয় পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে প্রকাশ্যে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহুতির ঘোষণা দেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
পরে এক অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, ৪৯তম বিসিএসের সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষা ক্যাডারে বাকি ৪৬ জনের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন সোমবার জারি করা হবে। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কারও প্রতি কোনো ধরনের বৈষম্য করা হবে না বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।
৪৯তম বিসিএসে সরকারি কর্মকমিশন ৬৬৫ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছিলেন বলেও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, এরমধ্যে তিনজন প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট জমা দিতে পারেননি। বিসিএসে অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও চূড়ান্তভাবে প্রোভিশনাল সার্টিফিকেট হলেও প্রয়োজনীয় সনদ জমা দিতে হয়। ওই তিনজন তা দিতে পারেননি। এ ছাড়া আটজন মেডিকেল পরীক্ষায় উপস্থিত হননি। ফলে মোট ৬৫৭ জনের নিয়োগের প্রক্রিয়া এগোয়। তাদের মধ্যে ৬১১ জনের প্রজ্ঞাপন হয়েছে।
নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১২ অক্টোবরের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগদানের জন্য বলা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে পরবর্তী কোনো নির্দেশ না পেলে ওই তারিখেই তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগদান করবেন। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করতে সম্মত নন বলে ধরে নেওয়া হবে এবং নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।


