ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদ গ্রেপ্তার
ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) তাঁকে মিরপুরের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, ডিজিএফআইকে রাজনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত করা, জঙ্গি নাটকের প্রবক্তা, দুর্নীতির মাধ্যমে জলসিড়ি আবাসনের শতকোটি টাকা আত্মসাত্, আয়নাঘরের রূপকার এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের ক্ষমতা অপব্যবহার করে হাজার কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ।
গত বছরের মে মাসে শেখ মামুন খালেদ ও তাঁর স্ত্রী নিগার সুলতানা খালেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন আদালত।
এর আগে আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনে বলা হয়, শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শেয়ার ব্যবসা, ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাত্ এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে। তদন্তকালে জানা গেছে, তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা দেশত্যাগ করে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন। তাই সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাঁদের বিদেশ গমন নিষিদ্ধ করা জরুরি।
শেখ মামুন খালেদ ডিজিএফআইয়ের পরিচালকের পদে ছিলেন ডিসেম্বর ২০০৭ থেকে ডিসেম্বর ২০১০ পর্যন্ত।
একই সংস্থার মহাপরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন ২৩ জুন ২০১১ থেকে ৭ মার্চ ২০১৩ পর্যন্ত। অনেকেরই অভিযোগ, শেখ হাসিনার ১৫ বছরের ‘ফ্যাসিস্ট সরকার’ কায়েমে শেখ মামুন খালেদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
সূত্র জানায়, ডিজিএফআইকে রাজনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত করা, জঙ্গি নাটকের প্রবক্তা, দুর্নীতির মাধ্যমে জলসিড়ি আবাসনের শতকোটি টাকা আত্মসাত্, আয়নাঘরের রূপকার এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের ক্ষমতা অপব্যবহার করে হাজার কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ।
গত বছরের মে মাসে শেখ মামুন খালেদ ও তাঁর স্ত্রী নিগার সুলতানা খালেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন আদালত।
এর আগে আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনে বলা হয়, শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শেয়ার ব্যবসা, ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাত্ এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে। তদন্তকালে জানা গেছে, তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা দেশত্যাগ করে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন। তাই সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাঁদের বিদেশ গমন নিষিদ্ধ করা জরুরি।
শেখ মামুন খালেদ ডিজিএফআইয়ের পরিচালকের পদে ছিলেন ডিসেম্বর ২০০৭ থেকে ডিসেম্বর ২০১০ পর্যন্ত।
একই সংস্থার মহাপরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন ২৩ জুন ২০১১ থেকে ৭ মার্চ ২০১৩ পর্যন্ত। অনেকেরই অভিযোগ, শেখ হাসিনার ১৫ বছরের ‘ফ্যাসিস্ট সরকার’ কায়েমে শেখ মামুন খালেদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।


