চট্টগ্রামে কলেজছাত্র সাজিদ হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার আরো ২
চট্টগ্রামে কলেজছাত্র আশফাক কবির সাজিদ হত্যা মামলায় আরো দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। রবিবার (১৯ এপ্রিল) ভোরে একজনকে ও গতকাল শনিবার রাতে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, সাজিদ হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি মাইকেল রানা।
তাকে গতকাল শনিবার রাতে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার মহামুনি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া আজ ভোরে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বড় খাজুরা এলাকা থেকে র্যাব-৭ ও র্যাব-৬ যৌথ অভিযান চালিয়ে ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করে।
এর আগে গত ১২ এপ্রিল রাতে নগরের চকবাজার থানার ডিসি রোড এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের লিফটের ফাঁকা জায়গা থেকে সাজিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পূর্ব বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
নিহত আশফাক কবির সাজিদ বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবুল হাশেম খন্দকারের ছেলে। চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকার ডিসি রোডে একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন তিনি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১২ এপ্রিল বিকেলে বন্ধু ফারদিন হাসান ফোন করে সাজিদকে বাকলিয়া এক্সেস রোডের মৌসুমি আবাসিক এলাকার মোড়ে ডেকে নেন।
সেখানে আইমন, অনিক, মাইকেল রানা, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ ও মিসকাতুল কায়েসসহ আরো কয়েকজন তাকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যান। এ সময় সাজিদ পালানোর চেষ্টা করে ও ভবনের ভেতরে আশ্রয় নেন। পরে আসামিরা তাকে সেখান থেকে মারধর করে ভবনের অষ্টম তলার লিফটের ফাঁকা জায়গায় ফেলে দেন। পরে স্থানীয়দের খবরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় সাজিদের বাবা আবুল হাশেম সিকদার বাদী হয়ে ১৩ এপ্রিল চকবাজার থানায় সাতজনের নামে মামলা করেন।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, সাজিদ হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি মাইকেল রানা।
তাকে গতকাল শনিবার রাতে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার মহামুনি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া আজ ভোরে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বড় খাজুরা এলাকা থেকে র্যাব-৭ ও র্যাব-৬ যৌথ অভিযান চালিয়ে ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করে।
এর আগে গত ১২ এপ্রিল রাতে নগরের চকবাজার থানার ডিসি রোড এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের লিফটের ফাঁকা জায়গা থেকে সাজিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পূর্ব বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
নিহত আশফাক কবির সাজিদ বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবুল হাশেম খন্দকারের ছেলে। চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকার ডিসি রোডে একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন তিনি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১২ এপ্রিল বিকেলে বন্ধু ফারদিন হাসান ফোন করে সাজিদকে বাকলিয়া এক্সেস রোডের মৌসুমি আবাসিক এলাকার মোড়ে ডেকে নেন।
সেখানে আইমন, অনিক, মাইকেল রানা, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ ও মিসকাতুল কায়েসসহ আরো কয়েকজন তাকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যান। এ সময় সাজিদ পালানোর চেষ্টা করে ও ভবনের ভেতরে আশ্রয় নেন। পরে আসামিরা তাকে সেখান থেকে মারধর করে ভবনের অষ্টম তলার লিফটের ফাঁকা জায়গায় ফেলে দেন। পরে স্থানীয়দের খবরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় সাজিদের বাবা আবুল হাশেম সিকদার বাদী হয়ে ১৩ এপ্রিল চকবাজার থানায় সাতজনের নামে মামলা করেন।


