লুটের সম্রাট ডিআইজি মোজাম্মেল
পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি গাজী মো. মোজাম্মেল হক। রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব পালনের শপথ নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন পুলিশের মহান পেশায়। কিন্তু হায়! তিনি পুলিশের পবিত্র পোশাকের আড়ালে সেটিতে কালিমালেপন করেছেন দুর্নীতি, লুটপাট আর দখলের সাম্রাজ্য গড়ার মধ্য দিয়ে। ক্ষমতার দাপট আর ঊর্ধ্বতনদের ব্যবহার করে জমি দখল, নদী ভরাট এবং শত শত কোটি টাকার সম্পদের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন সুপরিকল্পিত দক্ষতায়।
একাধিক অনুসন্ধান, নথিপত্র এবং স্থানীয়দের অভিযোগ বলছে, নিজের পদ-পদবিকে তিনি সম্পদ গড়া আর দুর্নীতির হাতিয়ার হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন। গত বছর পুলিশের এই কর্মকর্তা অতিরিক্ত ডিআইজি থেকে অবসরে গেছেন। স্থানীয়রা তাঁকে আখ্যা দিচ্ছে দ্বিতীয় বেনজীর (সাবেক দুর্নীতিবাজ আইজিপি) হিসেবে।
অনুসন্ধানে আরো উঠে এসেছে, প্রায় ২৬ বছরের চাকরিজীবনে তিনি গড়ে তুলেছেন শত শত কোটি টাকার সম্পদের সাম্রাজ্য।
রাজধানীর উপকণ্ঠ রূপগঞ্জে রয়েছে নানাভাবে দখল করা প্রায় তিন হাজার বিঘার আবাসন প্রকল্প। এর পাশে প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে রয়েছে বাগানবাড়ি (বর্তমান মূল্য প্রায় ১৬৫ কোটি টাকা)। বান্দরবানে এক দাগে ১৭৫ বিঘা জমি রয়েছে। সেখানে আতর চাষ করা হয়।


