বাড়তি ভাড়া-হয়রানি রোধে সায়েদাবাদ ও সদরঘাটে র্যাবের কন্ট্রোল রুম
ঈদে ঘরমুখো মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও হয়রানি রোধে সায়েদাবাদ ও সদরঘাটে কন্ট্রোল রুম বসিয়েছে র্যাব-১০। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে র্যাব-১০ এর অধিনায়ক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। যাত্রীরা যদি কোনো প্রকার হয়রানির শিকার হয়, অথবা তাদের কাছ থেকে যদি টিকিটের মূল্য হিসেবে বেশি টাকা আদায় করা হয়, তাহলে তারা আমাদের কন্ট্রোল রুমে অভিযোগ করবেন।
আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেব।’
কামরুজ্জামান জানান, অপরাধ দমন করে ঈদযাত্রা স্বস্তির করতে র্যাব কাজ করছে।
র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘এ বছর ঈদকে কেন্দ্র করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন তিন স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো—সদরঘাট, সায়েদাবাদ, শ্যামপুর, সূত্রাপুর, ডেমরায় নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য আমাদের ৩২টি টিম কাজ করবে।
পাশাপাশি ছয়টি সিভিল টিমও থাকবে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য।’
ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকায় ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ দমনে র্যাব কী উদ্যোগ নিয়েছে জানতে চাইলে কামরুজ্জামান বলেন, ‘এই সময় বাসা-বাড়িতে চুরির মতো অপরাধ বেড়ে যায়। বিষয়টি বিবেচনা করে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা, বিশেষ করে রাতে আমাদের তৎপরতা অনেক বেশি থাকবে। খালি বাসাগুলোতে যেন চুরি না হয়, সেই বিষয়টি আমরা অত্যধিক গুরুত্ব সহকারে দেখব।
’
হয়রানির শিকার হয়ে কন্ট্রোল রুমে ফোন করে অভিযোগ জানালেও র্যাব সহায়তা দেবে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। যাত্রীরা যদি কোনো প্রকার হয়রানির শিকার হয়, অথবা তাদের কাছ থেকে যদি টিকিটের মূল্য হিসেবে বেশি টাকা আদায় করা হয়, তাহলে তারা আমাদের কন্ট্রোল রুমে অভিযোগ করবেন।
আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেব।’
কামরুজ্জামান জানান, অপরাধ দমন করে ঈদযাত্রা স্বস্তির করতে র্যাব কাজ করছে।
র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘এ বছর ঈদকে কেন্দ্র করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন তিন স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো—সদরঘাট, সায়েদাবাদ, শ্যামপুর, সূত্রাপুর, ডেমরায় নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য আমাদের ৩২টি টিম কাজ করবে।
পাশাপাশি ছয়টি সিভিল টিমও থাকবে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য।’
ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকায় ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ দমনে র্যাব কী উদ্যোগ নিয়েছে জানতে চাইলে কামরুজ্জামান বলেন, ‘এই সময় বাসা-বাড়িতে চুরির মতো অপরাধ বেড়ে যায়। বিষয়টি বিবেচনা করে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা, বিশেষ করে রাতে আমাদের তৎপরতা অনেক বেশি থাকবে। খালি বাসাগুলোতে যেন চুরি না হয়, সেই বিষয়টি আমরা অত্যধিক গুরুত্ব সহকারে দেখব।
’
হয়রানির শিকার হয়ে কন্ট্রোল রুমে ফোন করে অভিযোগ জানালেও র্যাব সহায়তা দেবে বলে জানান তিনি।


